ভারতের নদনদী


ভারতের নদীসমূহকে মূলত দুইভাগে বিভক্ত করা যায়, যেমন-হিমালয় পর্বত থেকে উৎপন্ন নদীসমূহ এবং উপদ্বীপীয় নদীসমূহ।
হিমালয় পর্বত থেকে উৎপন্ন নদীসমূহ
হিমালয় পর্বত থেকে উৎপন্ন নদীগুলিতে বছরের সবসময়ই জল থাকে এবং নদীগুলি সারাবছরই প্রবাহিত হয়। এদেরকে নিত্যবহ নদীও বলা হয়।

  1. সিন্ধু নদী
    উৎপত্তি
    উৎস: তিব্বতের কৈলাশ পর্বতের কাছে মানস সরোবর হ্রদ অঞ্চল।
    প্রথমে লাদাখ ও জস্কর পর্বতমালার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।
    পরে কাশ্মীর ও পাকিস্তানের মধ্য দিয়ে আরব সাগরে মিশেছে।

দৈর্ঘ্য ও বিস্তার
দৈর্ঘ্য: প্রায় ৩,১৮০ কিমি (১,৯৭৬ মাইল)।
অববাহিকা এলাকা: প্রায় ১১,৬৫,০০০ বর্গকিমি (বিশ্বের বৃহত্তম অববাহিকাগুলির মধ্যে একটি)।
প্রধান উপনদী
সিন্ধু নদীর মোট পাঁচটি বড় উপনদী আছে, যাদের মিলিত নাম থেকেই “পাঞ্জাব” (পাঁচ নদী) নাম এসেছে।

  1. জেলাম (Jhelum)
  2. চেনাব (Chenab)
  3. রাভি (Ravi)
  4. বেয়াস (Beas)
  5. শতদ্রু / সতলুজ (Sutlej)
    প্রবাহপথ
  6. তিব্বত লাদাখ কাশ্মীর
  7. পাকিস্তানের গিলগিট, বালতিস্তান, পাঞ্জাব, সিন্ধু প্রদেশ অতিক্রম করে
  8. অবশেষে আরব সাগরে (করাচির কাছে) পতিত হয়েছে।

ঐতিহাসিক গুরুত্ব
সিন্ধু সভ্যতা (Indus Valley Civilization):** হরপ্পা, মহেঞ্জোদারো এই নদীর তীরেই গড়ে ওঠে।
“ইন্ডিয়া” নামটি এসেছে “ইন্দুস/সিন্ধু” থেকে।
বৈদিক যুগে একে ‘সিন্ধু’ নামে উল্লেখ করা হয়েছে।
গ্রিকরা একে বলত Indos, পরে ইংরেজিতে Indus।

আধুনিক গুরুত্ব
পাকিস্তানের প্রধান কৃষিজীবন এই নদীর উপর নির্ভরশীল।
ইন্দাস ওয়াটার ট্রিটি (Indus Water Treaty, 1960) – ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে নদীর জল বন্টন চুক্তি।
ভারতকে ৩টি নদী (রাভি, বেয়াস, শতদ্রু) ব্যবহার করার অধিকার দেওয়া হয়েছে।
পাকিস্তানকে ৩টি নদী (জেলাম, চেনাব, সিন্ধু) ব্যবহার করার অধিকার।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট
সিন্ধুনদীর উৎপত্তিস্থল হল তিব্বতের (চিন) মানস সরোবর।
এটি প্রায় 2440 কিমি দীর্ঘ। ভারতে এর দৈর্ঘ্য 709 কিমি। এই নদীটি পাকিস্তানের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আরব সাগরে মিলিত হয়।
সিন্ধু নদীর বিভিন্ন নদীগুলির মধ্যে যেগুলি জম্মু ও কাশ্মীরে অবস্থিত সেগুলি হল-গিলগিট (Gilgit), গোমান (Goman), কুররাম (Kurram) ইত্যাদি।
বাকি নদীগুলির উৎপত্তিস্থল হল-
পাঞ্জাব হরিয়ানা সমভূমি: এই সমভূমি শতদ্রু, রাবী এবং বিপাশা নদী নির্মিত পদার্থ সঞ্চিত হয়ে সৃষ্টি হয়েছে। এর গড় উচ্চতা প্রায় 250 মিটার। এই সমভূমি মূলত ভাঙর সমভূমির মধ্যে পড়ে। নদীর তটগুলি বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে শঙ্কু আকৃতির ন্যায় ভূমিরূপ গঠন করে থাকে, যাকে ‘বেট’ বলে। দুটি নদীর মধ্যবর্তী স্থলভাগকে ‘দোয়াব’ বলা হয়।
বিস্ত দোয়াব: বিপাশা এবং শতদ্রু নদীর মধ্যবর্তী স্থলভাগ।
বারী দোয়াব: বিপাশা এবং রাবী নদীর মধ্যবর্তী স্থলভাগ।
রচনা দোয়াব: রাবী এবং চেনাব নদীর মধ্যবর্তী স্থলভাগ।
চাজ দোয়াব: চেনাব এবং ঝিলাম নদীর মধ্যবর্তী স্থলভাগ।
সিন্ধু সাগর দোয়াব: ঝিলাম, চেনাব এবং সিন্ধু নদীর মধ্যবর্তী স্থলভাগ।
শতদ্রু নদী তিব্বতের নারী খোরসান (Nari Khorsan)-এর প্রান্তদেশে একটি অভূতপূর্ব ক্যানিয়ন বা খাত নির্মাণ করে যেটি কলোরাডো নদীর (আমেরিকা) গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের সমপর্যায়ে পড়ে।
1960 খ্রিস্টাব্দে ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত সিন্ধু জলসন্ধি অনুসারে সিন্ধু, ঝিলাম এবং চেনাব নদীগুলির কেবলমাত্র 20% জলই ব্যবহার করতে পারবে।
ঝিলাম নদীর সংস্কৃত নাম বিতস্তা। এ ছাড়া চেনাব নদীর সংস্কৃত নাম হল চন্দ্রভাগা, রাবী নদীর ইরাবতী এবং ব্যাস নদীর নাম হল বিপাশা।

  1. গঙ্গা নদী
    ভাগীরথী নদী (উৎপত্তিস্থল গঙ্গোত্রী) এবং অলকানন্দা নদী (উৎপত্তিস্থল বদ্রীনাথ) দেবপ্রয়াগের কাছে মিলিত হয়ে গঙ্গা নদীর উৎপত্তি।
    এর পূর্বে অলকানন্দা নদীতে মন্দাকিনী নদী (উৎপত্তিস্থল কেদারনাথ) মিলিত হয়।
    গঙ্গা নদীর দৈর্ঘ্য 2525 কিমি যেখানে উত্তরাঞ্চল তথা উত্তরপ্রদেশে এর দৈর্ঘ্য 1450 কিমি। বিহারে 445 কিমি এবং পশ্চিমবঙ্গে 520 কিমি।
    যমুনা হল গঙ্গার সবচেয়ে বড়ো শাখানদী। চম্বল, সিন্ধু, বেত ইত্যাদি নদীগুলি হল যমুনার শাখানদী।
    কলকাতার হুগলি নদী হল গঙ্গার একটি প্রধান উপনদী।
    গঙ্গা নদীকে বাংলাদেশে পদ্মা নামে অভিহিত করা হয়। পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র (যার নাম বাংলাদেশে যমুনা) এতে মিলিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। গঙ্গা এবং ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপ হল বিশ্বের বৃহত্তম বদ্বীপ।
    বঙ্গোপসাগরে পতিত হওয়ার আগে পদ্মা নদী থেকে মেঘনা নামে একটি উপনদী নির্গত হয়।

গঙ্গার উপনদীগুলি হল-

নদীউৎপত্তিস্থলমোহানাদৈর্ঘ্য (কিমি)
শতদ্রুমানস সরোবরের নিকটে অবস্থিত রাক্ষসতাল হ্রদচেনাব নদী1050
রাবীকাংরা জেলায় রোহটাং গিরিপথের কাছেচেনাব নদী720
বিপাশারোহটাং গিরিপথের কাছেশতদ্রু নদী770
ঝিলামবরেনাগ (কাশ্মীর)-এর নিকট অবস্থিত শেষনাগ হ্রদচেনাব নদী725
চেনাববারালাচা গিরিপথসিন্ধু নদী1800
যমুনাবান্দারপুচ্ছ (Banderpooch) শৃঙ্গের পশ্চিম ঢালের যমুনোত্রী হিমবাহ থেকেগঙ্গা নদী1375
চম্বলমধ্যপ্রদেশের মহ (Mhow) প্রদেশের নিকটে জনাপাব পাহাড়েযমুনা নদী1050
ঘর্ঘরামাতুঙ্গ হিমবাহগঙ্গা নদী1080
গন্ধকনেপালগঙ্গা নদী425
কোশীগোসাই ধাম-এর উত্তরেগঙ্গা নদী730
বেতবিন্ধ্য পর্বতযমুনা নদী480
শোন্অমরকণ্টক পর্বতগঙ্গা নদী780
  1. ব্রহ্মপুত্র
    উৎপত্তি
    উৎস: তিব্বতের কৈলাশ পর্বতের কাছে চেমায়ুংদুং (Chemayungdung) হিমবাহ থেকে।
    তিব্বতে নদীটির নাম সাংপো (Tsangpo বা Yarlung Tsangpo)।
    দৈর্ঘ্য ও বিস্তার
    মোট দৈর্ঘ্য: প্রায় ২,৯০০ কিমি।
    অববাহিকা এলাকা: প্রায় ৫,৮০,০০০ বর্গকিমি।

প্রবাহপথ

  1. তিব্বতের দক্ষিণে সাংপো নামে প্রবাহিত হয়।
  2. নামচা বারওয়া পর্বতের কাছে বিশাল বাঁক নিয়ে অরুণাচল প্রদেশে প্রবেশ করে। এ সময় এর নাম হয় সিয়াং / দিহাং (Siang/Dihang)।
  3. এরপর দিহাং, লোহিত, দিবাং নদীর সাথে মিলে ব্রহ্মপুত্র নামে আসামে প্রবাহিত হয়।
  4. বাংলাদেশে প্রবেশ করলে নদীটির নাম হয় যমুনা।
  5. অবশেষে পদ্মা ও মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়। প্রধান উপনদী
    ভারতে: সুভানসিরি, দিহাং, দিবাং, লোহিত।
    বাংলাদেশে: তিস্তা, ধলেশ্বরী ইত্যাদি।
    বৈশিষ্ট্য
    ব্রহ্মপুত্র একটি আন্তর্জাতিক নদী – তিব্বত, ভারত ও বাংলাদেশ দিয়ে প্রবাহিত।
    এর জলের স্রোত অত্যন্ত শক্তিশালী এবং প্রবল বন্যা সৃষ্টি করে।
    এটি বিশ্বের অন্যতম প্রশস্ত নদী।
    বন্যাপ্রবণ নদী হিসেবে আসামে এর ভয়াবহতা সুপরিচিত।

কৃষি ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব
আসাম ও বাংলাদেশে কৃষিকাজের জন্য প্রধান সেচনির্ভর নদী।
মাছ ধরা ও পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ডেল্টা বিশ্বের সবচেয়ে উর্বর সমভূমি গঠন করেছে।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট
দৈর্ঘ্য প্রায় 2900 কিমি, মানস সরোবরের নিকটে অবস্থিত হিমবাহ থেকে উৎপত্তি।
তিব্বতে (চিন)-এর মান সাংপো (Tsang Po) এবং ভারতে অরুণাচল প্রদেশে প্রবেশ করে এর নাম হয় দিহং (Dihang)।
অসমে এই নদীকে ব্রহ্মপুত্র এবং বাংলাদেশে যমুনা নামে অভিহিত করা হয়
এর শাখানদীগুলি হল-সুবর্ণসিঁড়ি, ধানসিঁড়ি, মানস ইত্যাদি।
গঙ্গা এবং ব্রহ্মপুত্র বিশ্বের সর্ববৃহৎ বদ্বীপ সৃষ্টি করে।

উপদ্বীপীয় নদী
এই নদীগুলির অন্তর্গত বেশিরভাগ নদী বৃষ্টিপাতের উপর নির্ভরশীল অপরি বছরের সবসময় এই নদীগুলিতে জল থাকে না। নদীগুলিকে দুটি প্রশার শ্রেণিতে ভাগ করা যায়, যেমন-1. পূর্ববাহিনী নদীসমূহ এবং 2. পশ্চিমপাতিনী নদীসমূহ।

  1. পূর্ববাহিনী নদীসমূহ
    এই প্রকার নদীগুলি বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়ে বদ্বীপের সৃষ্টি করে। এর মধ্যে প্রধান নদীগুলি হল-
    নদী উৎপত্তিস্থল মোহানা দৈর্ঘ্য (কিমি)
    কৃষ্ণা মহাবালেশ্বরের কাছে পশ্চিমঘাট পাহাড় থেকে বঙ্গোপসাগর 1327
    গোদাবরী মহারাষ্ট্রে নাসিক জেলার দক্ষিণ পশ্চিমে 64 কিমি দূরে অবস্থিত ব্রহ্মগিরি পর্বত বঙ্গোপসাগর 1465
    কাবেরী কর্ণাটকের কুর্গ জেলার তালাকাবেরী (Talakaveri) গ্রাম কৃষ্ণা 805
    পেন্নার নদীদুর্গ পাহাড় (কর্ণাটক) বঙ্গোপসাগর 570
    মহানদী ছত্তিশগড়ের রায়পুর জেলার সিওয়া (Sihawa) নামক স্থানে (কটক জেলার নিকট) বঙ্গোপসাগর 885

গোদাবরীকে ‘দক্ষিণ ভারতের গঙ্গা’ বলা হয়ে থাকে। এর শাখানদীগুলি হল-পেনগঙ্গা, বর্ধা, ইন্দ্রাবতী, বেনগঙ্গা এবং সাবরী ইত্যাদি।
কৃষ্ণার শাখানদীগুলি হল-কোয়না, দুধগঙ্গা, পঞ্চগঙ্গা, ভীমা এবং মুসী ইত্যাদি।
কাবেরী অন্যান্য নদীগুলির তুলনায় কম অনিত্যবহ প্রকৃতির অর্থাৎ এই নদীতে বছরের অধিক সময় জল থাকে। এর কারণ হল যে এর উপরের অংশে গ্রীষ্মে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর কারণে এবং নীচের অংশে শীতে ফিরে যাওয়া উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর কারণে যে বৃষ্টিপাত হয় তার থেকে জলপ্রাপ্ত হয়। সবথেকে বেশি এই নদীর জলকে ভারতে বিভিন্ন কাজে প্রয়োগ করা হয়। এর 90-95% জলকে সেচের কাজে লাগানো হয়।
কাবেরীর শাখানদীগুলি হল-হেমবতী, লোকপাবনী, লক্ষ্মণতীর্থ ইত্যাদি।
এদের ছাড়া সুবর্ণরেখা এবং ব্রাহ্মণী নামক দুটি ছোটো নদী রাচী মালভূমি থেকে নির্গত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়। এটি হুগলি ও মহানদীর বদ্বীপগুলির মধ্যভাগে বদ্বীপ গঠন করে।

  1. পশ্চিমবাহিনী নদীসমূহ
    এই নদীগুলি পশ্চিমদিকে প্রবাহিত হয় এবং বদ্বীপ সৃষ্টি করে না।
    নর্মদা ভোরাঘাটে (মধ্যপ্রদেশ) ধুয়াধার জলপ্রপাত সৃষ্টি করে। এর মুখ্য শাখানদীগুলি হল-হিরণ, বুরনের, সের ইত্যাদি।
    তান্তী বা তাপী নদীকে নর্মদা নদীর ‘যমজ’ নদী বলা হয়ে থাকে। এর শাখানদীগুলি হল-পুরনা, গিরনা, অরুণাবতী ইত্যাদি।
    লুনী নদীকে ‘লবণ নদী’ (Salt River) বলা হয়।
    সবরমতী নদী পশ্চিমঘাট থেকে নির্গত হয়।
    কর্ণাটকের শিমোগা জেলায় বারাহী নদীতে অবস্থিত কুঞ্চিকল জলপ্রপাত ভারতের উচ্চতম জলপ্রপাত (455 মিটার)।

নদী উৎপত্তিস্থল মোহানা দৈর্ঘ্য (কিমি)
নর্মদা বিন্ধ্য পর্বতশ্রেণিতে অবস্থিত অমরকন্টক নামক স্থান খাম্বাত উপসাগর 1057
তান্তী বৈতুল জেলায় (মধ্যপ্রদেশ) মুলুটাই শহরের নিকটে খাম্বাত উপসাগর 724
মাহী বিন্ধ্য পর্বতশ্রেণি খাম্বাত উপসাগর 560
লুনী আজমের জেলায় অবস্থিত (আরাবল্লী পর্বত) কচ্ছ উপসাগর 450
ঘর্ষর কালকার নিকটে হিমালয় পর্বতে হনুমানগড় (রাজস্থান) 494
সবরমতী উদয়পুর জেলার দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ কচ্ছের রণ 416

  1. অন্তর্বাহিনী নদীসমূহ
    কিছু কিছু নদী যেগুলি সাগরের সঙ্গে মিলিত হতে পারে না, সাগরে পৌঁছোবার আগেই বিলুপ্ত হয়। এদের অন্তর্বাহিনী নদী বলা হয়।
    ঘর্ঘর নদী হল এর মুখ্য উদাহরণ। এটি হিমালয়ের নিম্নঢাল (কালকার নিকট) থেকে নির্গত হয় এবং হনুমানগড়ে (রাজস্থান) বিলুপ্ত হয়। ঘর্ঘর নদীকেই ‘বৈদিক যুগের সরস্বতী’ বলে মানা হয়।
    অন্যান্য উদাহরণ-লুনী, সাবী, কাকনী, রূপনগর, মেধা ইত্যাদি।

Facebook
Twitter
LinkedIn

Books You Must Have

Scholar Academy এর এই বইগুলি WBP, KP, SSC Group C ও D পরীক্ষার জন্য বিশেষভাবে সহায়ক

See All Printed Books