ভারতের স্বাভাবিক উদ্ভিদ

জলবায়ু (বৃষ্টিপাত, উন্নতা ও আর্দ্রতা), ভূপ্রকৃতি, মৃত্তিকা প্রভৃতির তারতম্যের উপর ভিত্তি করে ভারতীয় বনভূমিকে সাতটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

1. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ অরণ্য

পরিবেশ: ভারতের যেসব অঞ্চলে বৃষ্টিপাত 200 সেমির বেশি, গড় উয়তা 25°-27° সেলসিয়াস, আর্দ্রতার পরিমাণ ৪০ শতাংশের বেশি এবং বছরে 8-9 মাস বাতাস আর্দ্র প্রকৃতির থাকে, সেখানে এই ধরনের উদ্ভিদ জন্মায়। অধিক বৃষ্টিপাত, উষ্ণতা ও আর্দ্রতার প্রভাবে গাছগুলি সারাবছর সবুজ থাকে, তাই এর নাম চিরহরিৎ।

আঞ্চলিক বণ্টন: ভারতের প্রায় 12% অঞ্চল জুড়ে রয়েছে এই অরণ্য। এই অরণ্য দেখা যায় আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, পশ্চিমঘাট পর্বতের পশ্চিম ঢাল, অরুণাচলপ্রদেশ, উচ্চ অসম, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম এবং ত্রিপুরায়।

উদ্ভিদ: রবার, এবনি, তুন, পুন, রোজউড, আয়রনউড, শিশু, বাঁশ ও বেত এই অঞ্চলের প্রধান উদ্ভিদ।

বৈশিষ্ট্য:

  • গাছগুলির সমস্ত পাতা একসঙ্গে ঝরে না, তাই চিরসবুজ।
  • উদ্ভিদের ঘনত্ব খুব বেশি, তাই সূর্যের আলো অনেক সময় মাটিতে প্রবেশ করে না।
  • একই অঞ্চলে বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ জন্মায়।
  • উদ্ভিদগুলির উচ্চতা খুব বেশি, গড়ে 35-45 মিটার, কখনো-কখনো 60 মিটার পর্যন্ত হয়।

2. ক্রান্তীয় আর্দ্র পর্ণমোচী অরণ্য

পরিবেশ: ভারতের যেসব অঞ্চলের বার্ষিক বৃষ্টিপাত 100-200 সেমি এবং বৃষ্টিপাতের বেশিরভাগ ঘটে বর্ষাকালে, গড় উয়তা গ্রীষ্মকালে 27°-30° সেলসিয়াস, শীতকালে 15°-20° সেলসিয়াস এবং আর্দ্রতা গড়ে 60-75%, সেখানে এই ধরনের উদ্ভিদ জন্মায়। গ্রীষ্মের আগে বা বসন্তে গাছগুলির সমস্ত পাতা ঝরে যায় বলে একে পর্ণমোচী উদ্ভিদ বলে।

আঞ্চলিক বণ্টন: ভারতের প্রায় 27% অঞ্চল জুড়ে রয়েছে এই অরণ্য। অসম সমভূমি, পশ্চিমবঙ্গ সমভূমি, ছোটোনাগপুর মালভূমি, ওড়িশা, হিমালয়ের পাদদেশের তরাই, ডুয়ার্স ও ভাবর অঞ্চলে এবং পশ্চিমঘাট পর্বতের পূর্ব ঢালে এই অরণ্য দেখা যায়।

উদ্ভিদ: শাল, সেগুন, শিমুল, মহুয়া, জারুল, কুসুম, আম, জাম, শিরিষ প্রভৃতি এই অঞ্চলের প্রধান উদ্ভিদ।

বৈশিষ্ট্য:

  • গ্রীষ্মের আগে গাছগুলির সমস্ত পাতা ঝরে যায় এবং বর্ষাকালে গাছে পাতা জন্মায়।
  • কোনো কোনো অঞ্চলে একই প্রজাতির উদ্ভিদের সমাবেশ লক্ষিত যায়।
  • উদ্ভিদের ঘনত্ব কম।
  • গাছগুলির উচ্চতা 25-60 মিটার পর্যন্ত হয়।

3. ক্রান্তীয় শুষ্ক পর্ণমোচী অরণ্য

পরিবেশ: ভারতের যে সকল অঞ্চলের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত 50-100 সেমি এবং বৃষ্টিপাত কেবল বর্ষাকালে ঘটে, গড় উয়তা 25° সেলসিয়াস এবং গ্রীষ্মকালীন উষুতা বেশি এবং আর্দ্রতার পরিমাণ কম সেখানেই এই জাতীয় উদ্ভিদ জন্মায়।

আঞ্চলিক বণ্টন: ভারতের প্রায় 29 শতাংশ অঞ্চল জুড়ে রয়েছে এই অরণ্য। এই অরণ্য দেখা যায় বিহারের পশ্চিমাংশে, উত্তরপ্রদেশের দক্ষিণ ও পূর্ব অংশে, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় ও মহারাষ্ট্রে, তামিলনাড়ুর পশ্চিমাংশে, কর্ণাটক ও অন্ধ্রপ্রদেশে।

উদ্ভিদ: এই অঞ্চলের প্রধান উদ্ভিদ হল বিভিন্ন ধরনের ঘাস, কুল, পলাশ প্রভৃতি। এছাড়াও এই অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে শাল, সেগুন, কেন্দু, খয়ের প্রভৃতি উদ্ভিদ জন্মায়।

বৈশিষ্ট্য:

  • উদ্ভিদগুলি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বেড়ে ওঠে।
  • উদ্ভিদগুলির উচ্চতা 10 মিটারের বেশি হয় না।
  • উদ্ভিদগুলি আর্দ্র পর্ণমোচী প্রকৃতির।

4. কাঁটাঝোপ ও গুল্ম উদ্ভিদ

পরিবেশ: যে সকল অঞ্চলের গড় বৃষ্টিপাত 25-50 সেমি, আর্দ্রতা কম (<50%) এবং গড় উষুতা খুব বেশি (25°-30° সেঃ) সেখানেই এই প্রকার উদ্ভিদ জন্মায়। স্বল্প বৃষ্টি ও অধিক উয়তার কারণে ঘাস ও গল্প জাতীয় উদ্ভিদ ছাড়া অন্য উদ্ভিদ জন্মায় না।

আঞ্চলিক বণ্টন: সমগ্র গুজরাট, রাজস্থানের মরুভূমি বাদ দিয়ে অধিকাংশ অঞ্চল পাঞ্জাব ও হরিয়ানা এবং পশ্চিমঘাট পর্বতের পূর্বে বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চলে এবং অন্ধ্রপ্রদেশে এই অরণ্য দেখা যায়।

উদ্ভিদ: বাবলা, খেজুর, ক্যাকটাস প্রভৃতি এখানকার প্রধান উদ্ভিদ।

বৈশিষ্ট্য:

  • বৃষ্টির অভাবে গাছগুলি বিক্ষিপ্তভাবে বেড়ে ওঠে।
  • উদ্ভিদের উচ্চতা 6-10 মিটার এবং উদ্ভিদগুলি ঝোপ জাতীয়।

5. মরু উদ্ভিদ

মাঝরবেশ: যেখানে গড় বাৎসরিক বৃষ্টিপাত 25 সেমির কম, উন্নতা খুব বেশি (30°-35°C) এবং আর্দ্রতা খুব কম সেখানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে দু-একটা উদ্ভিদ ছাড়া অধিকাংশ অঞ্চলই বৃক্ষহীন মরু অঞ্চল।

আঞ্চলিক বণ্টন: রাজস্থানের মরুভূমি এবং তৎসংলগ্ন গুজরাত ও পাঞ্জাবের মরু অঞ্চলে এই অরণ্য গড়ে উঠেছে।

উদ্ভিদ: ক্যাকটাস, ফণীমনসা, বাবলা, খেজুর, বিভিন্ন ঘাস ও কাঁটাঝোপ এখানকার প্রধান উদ্ভিদ।

বৈশিষ্ট্য:

  • ছড়িয়ে-ছিটিয়ে অল্পপরিসর স্থানে গাছ বেড়ে ওঠে।
  • জলের সন্ধানে শিকড় মাটির অনেক গভীরে প্রবেশ করে।
  • এই অঞ্চলের উদ্ভিদের পাতা সরু ও ছোটো হয়।

6. হিমালয় অঞ্চলের উদ্ভিদ

এখানে বিভিন্ন উচ্চতায় বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ বেড়ে উঠেছে।

  • চিরহরিৎ অরণ্য: পূর্ব হিমালয়ের 1000 মিটার উচ্চতা পর্যন্ত অংশে অধিক বৃষ্টিপাত ও উন্নয়তার কারণে শাল, শিশু, গর্জন প্রভৃতি চিরহরিৎ অরণ্য গড়ে উঠেছে। পশ্চিম হিমালয়ের 500 মিটার উচ্চতা পর্যন্ত দু-একটি স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে এই অরণ্য দেখা যায়।
  • পাইন অরণ্য: পশ্চিম হিমালয়ের 1000-2000 মিটার উচ্চতায় এবং পূর্ব হিমালয়ের দু-একটি স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে পাইনের বনভূমি গড়ে উঠেছে।
  • মিশ্র অরণ্য: পূর্ব হিমালয়ের 1000-3000 মিটার উচ্চতায় এবং পশ্চিম হিমালয়ের 1500-2500 মিটার উচ্চতায় দেবদারু, ওক, বার্চ, ম্যাপল সমেত নাতিশীতোয় পর্ণমোচী ও চিরহরিৎ বনভূমি একসঙ্গে গড়ে উঠেছে।
  • সরলবর্গীয় অরণ্য: পূর্ব হিমালয়ের 3000-4000 মিটার উচ্চতায় এবং পশ্চিম হিমালয়ের 2000-4000 মিটার উচ্চতায় ফার, প্রুস, উইলো সমেত সরলবর্গীয় অরণ্য রয়েছে।
  • আল্পীয় অরণ্য: সরলবর্গীয় অরণ্যের ঊর্ধ্বে যেখানে বছরের 3-4 মাস বরফাবৃত ও বাকি সময় বরফমুক্ত থাকে সেখানে জুনিপার, রডোডেনড্রন ও নানা প্রকার ঘাস জন্মায়। আল্পীয় অরণ্যের ঊর্ধ্বে কোনো উদ্ভিদ জন্মায় না, এটি চিরতুষারাবৃত অঞ্চল।

7. ম্যানগ্রোভ অরণ্য

পরিবেশ: ভারতের উপকূল ও বদ্বীপ অঞ্চলসমূহে যেখানে সূক্ষ্ম পলিমাটির সঞ্চয় ও লবণাক্ত জলের প্রভাবে রয়েছে এবং প্রতিদিন দু-বার

আঞ্চলিক বণ্টন: গঙ্গা বদ্বীপের সুন্দরবন (ভারতের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য), মহানদী, গোদাবরী, কৃষ্ণা ও কাবেরীর বদ্বীপ ও তৎসংলগ্ন উপকূল এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের উপকূলে এই অরণ্য গড়ে উঠেছে।

উদ্ভিদ: সুন্দরী, গরান, গেঁওয়া, কেয়া, গোলপাতা, হোগলা, ক্যাওড়া এখানকার প্রধান উদ্ভিদ।

বৈশিষ্ট্য:

  • জোয়ারভাটার প্রকোপে মৃত্তিকা আর্দ্র থাকে বলে গাছগুলি চিরসবুজ।
  • জোয়ারভাটার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ঠেসমূল দেখা যায়।
  • শ্বাসপ্রশ্বাসের সুবিধার জন্য গাছে শ্বাসমূল দেখা যায়।

সংরক্ষিত জীবমণ্ডল বা বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ

পরিবেশ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে 1971 খ্রিস্টাব্দে UNESCO মানুষ ও জীবমণ্ডল নামক একটি পরিকল্পনা শুরু করে। MAB (Man and Biosphere) পরিকল্পনার অঙ্গ হিসেবে প্রথম ওই বছরই বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ ধারণার সৃষ্টি হয়, UNESCO প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক ভূদৃশ্যের আন্তর্জাতিক সংজ্ঞা হিসেবে বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ শব্দটি ব্যবহার করে, যা স্থলজ বা উপকূলীয় সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের বিশাল অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে। এটি এক বিশেষ ধরনের সংরক্ষণ অঞ্চল, যেখানে মানুষকেও পরিবেশের অংশ ধরা হয়। ভারতের নীলগিরি বায়োস্ফিয়ার হল প্রথম বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ (1986 খ্রি.) তৈরি হয়। পরবর্তীতে আরও 17টি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ তৈরি হয়েছে।

নীলগিরিপশ্চিমঘাট (কেরল, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক)
নন্দাদেবীউত্তরাখণ্ড
নরেকমেঘালয়
মানসঅসম
সুন্দরবনপশ্চিমবঙ্গ
গল্ফ অব মান্নারতামিলনাড়ু
গ্রেট নিকোবরআন্দামান ও নিকোবর
সিমলিপালওড়িশা
ডিব্লু-ডাইখোয়াঅসম
দিহং-দিবংঅরুণাচল প্রদেশ
পাঁচমারিমধ্যপ্রদেশ
কাঞ্চনজঙ্ঘাসিকিম (নবীন জীবমণ্ডল-2018)
অগস্থামালাইকেরল
আচনাকমার ও অমরকন্টকমধ্যপ্রদেশ

ভারতের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় উদ্যান

অন্ধ্রপ্রদেশশ্রী ভেঙ্কটেশ্বর জাতীয় উদ্যান (1989)
অন্ধ্রপ্রদেশরাজীব গান্ধি (রামেশ্বরম) জাতীয় উদ্যান (2005)
অন্ধ্রপ্রদেশপাপিকোন্ডা জাতীয় উদ্যান (2008)
অরুণাচল প্রদেশনামদাফা জাতীয় উদ্যান (1983)
অরুণাচল প্রদেশমৌলিং জাতীয় উদ্যান (1986)
অসমকাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যান (1974)
অসমমানস জাতীয় উদ্যান (1990)
অসমনামেরি জাতীয় উদ্যান (1998)
অসমওরাং জাতীয় উদ্যান (1999)
অসমডিব্ৰু-সৈখোয়া জাতীয় উদ্যান (1999)
আন্দামান ও – নিকোবর দ্বীপপুঞ্জমিডল বাটন দ্বীপ জাতীয় উদ্যান (1979)
আন্দামান ও – নিকোবর দ্বীপপুঞ্জউত্তর বাটন দ্বীপ জাতীয় উদ্যান (1979)
আন্দামান ও – নিকোবর দ্বীপপুঞ্জমহাত্মা গান্ধি মেরিন ন্যাশনাল পার্ক (1983)
আন্দামান ও – নিকোবর দ্বীপপুঞ্জদক্ষিণ বাটন দ্বীপ জাতীয় উদ্যান (1987)
আন্দামান ও – নিকোবর দ্বীপপুঞ্জমাউন্ট হারিয়‍্যাট জাতীয় উদ্যান (1987)
আন্দামান ও – নিকোবর দ্বীপপুঞ্জস্যাডল পিক জাতীয় উদ্যান (1987)
আন্দামান ও – নিকোবর দ্বীপপুঞ্জক্যাম্পবেল বে জাতীয় উদ্যান, (1992)
আন্দামান ও – নিকোবর দ্বীপপুঞ্জগ্যালাথিয়া জাতীয় উদ্যান (1992)
আন্দামান ও – নিকোবর দ্বীপপুঞ্জরানি ঝাঁসি মেরিন জাতীয় উদ্যান (1996)
উত্তরপ্রদেশদুধওয়া জাতীয় উদ্যান (1977)
উত্তরাখণ্ডজিম করবেট জাতীয় উদ্যান (1936)
উত্তরাখণ্ডগোবিন্দ পশু বিহার জাতীয় উদ্যান (1955)
উত্তরাখণ্ডনন্দা দেবী জাতীয় উদ্যান (1982)
উত্তরাখণ্ডভ্যালি অফ ফ্লাওয়ার্স জাতীয় উদ্যান (1982)
উত্তরাখণ্ডরাজাজি জাতীয় উদ্যান (1983)
উত্তরাখণ্ডগঙ্গোত্রী জাতীয় উদ্যান (1989)
ওড়িশানন্দনকানন জাতীয় উদ্যান (1960)
ওড়িশাসিমলিপাল জাতীয় উদ্যান (1980)
ওড়িশাভিতরকণিকা জাতীয় উদ্যান (1998)
কর্ণাটকবন্দীপুর জাতীয় উদ্যান (1974)
কর্ণাটকবান্নারঘাটা জাতীয় উদ্যান (1974)
কর্ণাটকঅংশী জাতীয় উদ্যান (1987)
কর্ণাটককুদ্রেমুখ জাতীয় উদ্যান (1987)
কর্ণাটকনগরহোল জাতীয় উদ্যান (1988)
কেরলইরাভিকুলাম জাতীয় উদ্যান (1978)
কেরলপেরিয়ার জাতীয় উদ্যান (1982)
কেরলসাইলেন্ট ভ্যালি জাতীয় উদ্যান (1984)
কেরলমথিকেটান শোলা জাতীয় উদ্যান (2003)
গুজরাতগির অরণ্য জাতীয় উদ্যান (1965)
গুজরাতব্ল‍্যাকবাক জাতীয় উদ্যান, ভেলভাদার (1976)
গুজরাতবংশদা জাতীয় উদ্যান (1979)
গুজরাতগালফ অফ কচ্ছ: মেরিন ন্যাশনাল পার্ক (1982)
গোয়ামোল্লেম জাতীয় উদ্যান (1978)
ছত্তিশগড়ইন্দ্রাবতী জাতীয় উদ্যান (1982)
ছত্তিশগড়কাঞ্জার ঘাটি জাতীয় উদ্যান (1982)
জম্মু ও কাশ্মীরদচিগাম জাতীয় উদ্যান (1981)
জম্মু ও কাশ্মীরকিস্তওয়ার জাতীয় উদ্যান (1981)
জম্মু ও কাশ্মীরসেলিম আলি জাতীয় উদ্যান (1986)
ঝাড়খণ্ডবেতলা জাতীয় উদ্যান (1974)
তামিলনাড়ুমুদুমালাই জাতীয় উদ্যান (1940)
তামিলনাড়ুগিন্ডি জাতীয় উদ্যান (1977)
তামিলনাড়ুমান্নার উপসাগর মেরিন জাতীয় উদ্যান (1986)
তামিলনাড়ুআনামালাই টাইগার রিজার্ভ (1989)
তামিলনাড়ুমুকুরথি জাতীয় উদ্যান (2001)
তেলেঙ্গানামহাবীর হরিনা বনস্থলি জাতীয় উদ্যান (1975)
তেলেঙ্গানামৃগবনী জাতীয় উদ্যান (1994)
তেলেঙ্গানাকাসু ব্রহ্মানন্দ রেড্ডি জাতীয় উদ্যান (1998)
নাগাল্যান্ডইনতানকি জাতীয় উদ্যান (1993)
পশ্চিমবঙ্গসুন্দরবন জাতীয় উদ্যান (1984)
পশ্চিমবঙ্গনেওড়া উপত্যকা জাতীয় উদ্যান (1986)
পশ্চিমবঙ্গবক্সা জাতীয় উদ্যান (1992)
পশ্চিমবঙ্গসিঙ্গালিলা জাতীয় উদ্যান (1992)
পশ্চিমবঙ্গগোরুমারা জাতীয় উদ্যান (1994)
পশ্চিমবঙ্গজলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান (2012)
বিহারবাল্মীকি জাতীয় উদ্যান (1978)
মণিপুরকেইবুল লামজাও জাতীয় উদ্যান (1977)
মণিপুরসিরোহি জাতীয় উদ্যান (1982)
মধ্যপ্রদেশটাইগার রিজার্ভ (1955)
মধ্যপ্রদেশমাধব জাতীয় উদ্যান (1958)
মধ্যপ্রদেশবান্ধবগড় জাতীয় উদ্যান (1968)
মধ্যপ্রদেশপেঞ্চ জাতীয় উদ্যান (1975)
মধ্যপ্রদেশবনবিহার জাতীয় উদ্যান (1979)
মধ্যপ্রদেশসাতপুরা জাতীয় উদ্যান (1981)
মধ্যপ্রদেশপান্না জাতীয় উদ্যান (1981)
মধ্যপ্রদেশফসিল জাতীয় উদ্যান (1983)
মধ্যপ্রদেশসঞ্জয় জাতীয় উদ্যান (1983)
মহারাষ্ট্রতাডোবা জাতীয় উদ্যান (1955)
মহারাষ্ট্রগুগামাল জাতীয় উদ্যান (1974)
মহারাষ্ট্রনাভেগাঁও জাতীয় উদ্যান (1975)
মহারাষ্ট্রচান্দলি জাতীয় উদ্যান (2004)
মিজোরামমুরলেন জাতীয় উদ্যান (1991)
মিজোরামফাওংপুই ব্লু মাউন্টেন জাতীয় উদ্যান (1992)
মেঘালয়নকরেক জাতীয় উদ্যান (1986)
মেঘালয়বালফাকরাম জাতীয় উদ্যান (1987)
রাজস্থানমাউন্ট আবু বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য (1960)
রাজস্থানসরিস্কা টাইগার রিজার্ভ (1979)
রাজস্থানরণথম্বোর জাতীয় উদ্যান (1980)
রাজস্থানমরুভূমি জাতীয় উদ্যান (1981)
রাজস্থানকেওলাদেও জাতীয় উদ্যান (1982)
লাদাখহেমিস ন্যাশনাল পার্ক (1981)
সিকিমকাঞ্চনজঙ্ঘা জাতীয় উদ্যান (1977)
হরিয়ানাসুলতানপুর জাতীয় উদ্যান (1991)
হরিয়ানাকালেসার জাতীয় উদ্যান (2003)
হিমাচল প্রদেশগ্রেট হিমালয় জাতীয় উদ্যান (1984)
হিমাচল প্রদেশপিন ভ্যালি জাতীয় উদ্যান (1987)
Facebook
Twitter
LinkedIn

Books You Must Have

Scholar Academy এর এই বইগুলি WBP, KP, SSC Group C ও D পরীক্ষার জন্য বিশেষভাবে সহায়ক

See All Printed Books